ব্যবসায় আইডিয়া
TOP BUSINESS IDEA IN 202O
বুদ্ধিমান ও সত্যবাদী ব্যক্তি ছাড়া আর কারো সঙ্গ কামনা করো না,
মানুষের সাথে তাদের বুদ্ধি পরিমাণ কথা বলো
আসসালামু আলাইকুম,
আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি কি টপিক নিয়ে আসছি, অনেক নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। যারা বুঝেন না বা নতুন তাদের জন্য আজকের আয়োজন
ব্যবসায় উদ্যোগ গাইড
নানান সময়ে এই গ্রুপে নানান ব্যবসা উদ্যোগের আরোচনা হয়। সেগুলোকে কম্পাইল করে একটি মাত্র ডক বানানো হচ্ছে এই ডকের উদ্দেশ্য। এখানে কেবল কয়েকলাইনে আইডিয়াটা থাকবে। বিস্তারিত অন্য কোথাও থাকবে। সবাই নিজ নিজ উদ্যোগে এই ডককে বিকশিত করতে পারবেন। যখন ১০১টি উদ্যোগের একটি আউটলাইন দাড়াবে তখন আমরা এটিকে বই আকারে প্রকাশ করবো। তো হয়ে যাক-
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : এই দলিল সবার জন্য উন্মুক্ত এবং জিএফডিএল লাইসেন্সের আওতায় প্রকাশিত। যাদের আইডিয়া চুরি হয়ে যাওয়ার ভয় আচে বা যারা প্রাপাইটরি আইডিয়া নিযে থাকেন তাদের জন্য এই ডকুমেন্ট সম্ভবত যথোপযুক্ত নয়। নিজের বুদ্ধি বিবেচনা শাথায় রেখে এটিতে যুক্ত হতে হবে।
১। এপার্টমেন্ট ভবনের গার্বেজ কালেকশন
ঢাকা শহরের (অন্যান্য বড় শহরেরও) এপার্টমেন্টভবনগুলো থেকে সিস্টেম্যাটিক পদ্ধতিতে গার্বেজ সংগ্রহ করে তা ডিসপোজালের ব্যবস্থা করা যায়। এলিফেন্ট রোডের একটি এরকম এপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স বাসে প্রায় ৮০০০ টাকা এই খাতে খরচ করে। গার্বেজ কালেকশন এবং ডিসপোজাল হবে এই উদ্যোগের মূল কাজ। তবে ভবিষ্যতে এটিকে আরো সম্প্রসারিত করে রিসাইক্লিং-এর ব্যবসাও করা যেতে পারে।
বাংলাদেশে ওয়েস্ট কনসার্ন নামে একটি প্রতিষ্ঠান এই ধরনের কিছু কাজ করে থাকে।
২। বাসায় বাসায় পাস্তুরিত দুধ সরবরাহ
উত্তরা এলাকে প্রায় ৩ লক্ষ পরিবার বাস করে। এর ১০% -এর প্রতিদিন দুধের চাহিদা রয়েছে। ১ লিটার করে ধরলে মাত্র ৩০ হাজার লিটার! এর মধ্যে ৫ হাজারকে লিটার গ্রাহক বানাতে পারলে বড় ব্যবসা।
৩। ট্যুরিজম অনলাইন
আমাদের দেশের ভ্রমন উপযোগী বিভিন্ন স্থানের ডাটা কালেক্ট করে, ভাল ছবি তুলে ওয়েবসাইট দাড় করানো। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাইরের বিশ্বের কাছে তুলে ধরা। পাশাপাশি বিভিন্ন হোটেল এবং বাংলাদেশী ট্যুরিজম কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করা। এককথায় নিজের ফিজিক্যাল এক্সিস্টেন্স না থেকেও "মিডল ম্যান" হিসেবে কাজ করা।
৪। মোমবাতি বানিয়ে বিক্রি
যেহারে লোডশেডিঙ হয় তাতে মোমবাতি বানিয়ে অনায়াসে বি্ক্রি করা যাবে। প্যারফিন যোগাড় করে মোমবাতি বানানো, সাধারণ এবং রকমারি মোমবাতির ব্যবসা কারাপ নয়।
৫। কম্যুনিটি সার্ভিস
(বাসার বেকার ছেলেটার যা যা কাজ থাকে:D): বাচ্চাদের স্কুল ঠিক করা, বাসার কাপড় আয়রন+ওয়াশ, ময়লা ব্যবস্থাপনা, বুয়া ম্যানেজমেন্ট, বাজার করা, যেকোন কিছু রিপায়ার, বাসা চেঞ্জ প্রভৃতি কাজে সহায়তা করা: এক একটা বাসা, এক একটা ক্লায়েন্ট- মাসে ৫০০ টাকা করে পাওয়া গেলে ২ জন মানুষ ৫০/৬০ তা বাসা সহজেই ম্যানেজ করতে পারবে. ফ্লাটগুলো এক বিল্ডিং-এ বা পাশাপাশি হওয়ায় ২৫/৩০ হাজার টাকা আয় করা খুব কঠিন না. মানুষের কাছে সুনাম ধরে রাখার জন্য শক্ত ম্যানেজমেন্ট দরকার-বিশ্বাসী ও হতে হবে.
৬। ডে কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনা
কর্মজীবি মা-বাবা তাদের সন্তানের প্রপার কেয়ার এন্ড মেইনট্যানেন্স এর জন্যে সকালে অফিসে যাবার আগে ডে কেয়ার সেন্টারে রেখে যাবে এবং বিকেলে / সন্ধ্যায় ফেরার পথে নিয়ে যাবে। অথবা এমনও হতে পারে যে, ডে কেয়ার সেন্টারের পক্ষ থেকে সকালে নিজস্ব পরিবহনের মাধ্যমে বাচ্চাদের নিয়ে আসা হবে এবং সন্ধ্যায় বাড়ী পৌছে দেয়া হবে। ডে কেয়ার সেন্টার বাচ্চাদের ফুড (মেন্যু অনুযায়ী), মেডিসিন, বেসিক এডুকেশন, বিনোদন, খেলাধূলা, কেয়ার এন্ড মেইনট্যানেন্স প্রভাইড করবে বিনিময়ে এডমিশন ফিস সহ মাসিক একটি ফিস নেয়া হবে। কর্পোরেট কালচারের প্রাদুর্ভাবের কারনে এই ব্যবসাটির প্রসার এবং সম্ভাবনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৭। গিফট আইটেম
গিফট আইটেমের দেশে খুব অভাব। যেকোন ইভেন্ট/অকেশনে সুন্দর গিফট দেবার কিছু পাওয়া যায়না। এই সবের একটা ব্যবসা করা যেতে পারে। এটার মুল থিম হবে, দেশী এবং পরিবেশবান্ধব (Green & Indegenious). পাটের আইটেম, মাটির আইটেম, কাপড়ের ওপর নকশী কাজ, চামড়ার আইটেম, ঘরে বানানো কাগজের গ্রিটিংস কার্ড (handmade paper), সিরামিকের ওপর নকশা, বাঁশের, বেতের আইটেম, শুকনো ফুল, উপহারের ঝুড়ি, বাচ্চাদের জন্মদিনে দেবার গিফট, ইত্যাদি। মুল্য অনুসারে এগুলোকে কয়েকটা ভাগ করা যেতে পারে। ১০০ টাকার আইটেমের গিফট বাক্স/২০০ টাকার বাক্স/৩০০ টাকার/৫০০ টাকার/১০০০ টাকার। গিফটা র্যাপিং করে দেয়া যেতে পারে, প্রাপককে গিফট পৌছে দেয়া যেতে পারে। একটা ব্রান্ডিং করে ফেলতে পারলে ভাল হয়।
৮। ইন্টেরিয়র ডিজাইন (এন্ড কন্সট্রাকশন)
একটা ডিজাইন ফার্ম করা যেতে পারে। বসতবাড়ির ভেতরের ডিজাইন/পরামর্শ দেবে। বাড়িওয়ালাকে বলে দেবে কোন রঙের সাথে কোন রঙ্এর টাইলস লাগালে ভাল হবে, পড়ার ঘরে কেমন পর্দা হবে। বসার ঘরে সোফার ডিজাইন কেমন হলে ভাল। কিচেনে কেবিনেটগুলো কিভাবে কাস্টমাইজ করা যায়। দরকার হলে সব সাপ্লাই দেবে। বলে দেবে কোন বাল্ব লাগানো দরকার, কয়টা ইউপিএস লাগবে। সেটা সোলার দিয়ে চার্জ করলে কেন ভাল হবে। বাড়ির সাথে লাগোয়া ছোট্ট বাগানের ডিজাইন/ল্যন্ডস্কেইপিং করে দেবে।
৯। নার্সারী (পুরানো আইডিয়া, কিন্তু স্মার্ট)
ফল ও ফুল গাছের চারা উৎপাদন করা যেতে পারে। সাথে অর্কিডের চাষ। আমাদের রকিব টিস্যু কালচার করে সস্তায় লাখ লাখ চারা উৎপাদন করে দিবে। প্রচলিত নার্সারী থেকে একটু সরে গিয়ে ঘর সাজানো গাছপালা, বনসাই, বিভিন্ন রকমের ফল (ষ্টারফ্রুট, ষ্ট্রবেরী, চেরী, এভাকাডো, ইত্যাদি) খামার করা যেতে পারে। তাতে সাথী হিসেবে শৌখিন কবুতর পালন করা যেতে পারে।
১০। মোবাইল লোড
এটি ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা নামে পরিচিত। একটি একাউন্ট আর কিছু টাকা জমা দিয়ে, একটি টেবিল চেয়ার নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করে দেওয়া যায়। বিভিন্ন অপারেটর বিভিন্ন মানের কমিশন দিয়ে থাকে। তবে হাজারে ৩০-৩৫ টাকার মতো। প্রাথমিক পুজি কত লাগে?
১১। ফোন, ফ্যাক্স, ফটোকপি আর কম্পিউটার কম্পোজ
এটি পাবলিক কল সেন্টারের ব্যবসা। বাংলাদেশের জনগণের মতো আর কোন দেশের জনগণ এত কথা বলে না। কাজে ফোনের ব্যবসা হবে। সঙ্গে ফ্যাক্স রেখে দেওয়া যায় যেমনটি রাখা যায় ফটোকপি আর কম্পিউটার প্রিন্টিং আর কম্পোজের কাজ। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে একটু ইন্টারনেটও রাখা
SHOP NOW
SOME KEWORD:
ব্যবসায় উদ্যোগ গাইড
ব্যবসায় উদ্যোগ কি
ব্যবসায় উদ্যোগ কাকে বলে
ব্যবসায় উদ্যোগ ব্যবসায় উদ্যোগ কী
ব্যবসায় উদ্যোগ সাজেশন
ব্যবসায় উদ্যোগ প্রশ্ন
ব্যবসায় উদ্যোগ english

