ই কমার্স বিজনেস প্ল্যান


.<ই কমার্স বিজনেস>.

 বুদ্ধিমান ও সত্যবাদী ব্যক্তি ছাড়া আর কারো সঙ্গ কামনা করো না, 


মানুষের সাথে তাদের বুদ্ধি পরিমাণ কথা বলো 


 আসসালামু আলাইকুম,

আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি কি টপিক নিয়ে আসছি, অনেক নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। যারা বুঝেন না বা নতুন তাদের জন্য আজকের আয়োজন




ইকমার্স কি এবং ইকমার্সের ইতিহাস।

ইকমার্স সাধারনত পরিচিত ইলেক্ট্রনিক কমার্স হিসেবে।সহজ ভাষার ইলেক্ট্রনিক নেটয়ার্ক

 যেমন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক,ইন্টারনেট ব্যবহার করে পন্য বা সার্ভিস ক্রয় বিক্রয় করা।

ইকমার্স নির্ভর করে ইন্টারনেট,ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেম,কুরিয়ার সার্ভিস,সাপ্লাই চেইন

 ম্যানেজম্যান্ট,ইন্টারনেট মার্কেটিং,অনলাইন ট্রানজেকশন,ইলেকট্রনিক ডাটা 

ইন্টারচেঞ্জ,ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট, অটোমেটেড ডাটা কালেকশন ইত্যাদির উপর। 

ইদানিং মোবাইল কমার্স, সোসাল মিডিয়া কমার্স যেমন এফকমার্স ইকমার্সের একটা 

অংশ হয়ে দাড়িয়েছে।



মূলত ই-কমার্স একটি টুলস। এই টুলসের মাধ্যমে আপনি আপনার যে কোন ব্যবসাতে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে আপনার ব্যবসার প্রসেস ও প্রসারকে বৃদ্ধি করতে পারেন। পাশাপাশি অভ্যান্তরীন ব্যবস্থাপনা ও ভোক্তার জন্যে পণ্য বা সেবা প্রাপ্তির নিশ্চয়তাকে সহজতর করে তুলতে পারেন।


সহজ উদাহরণ দেই। আপনি মানি ব্যাগ তৈরী করবেন। এখন আপনি ছোট একটি কারখানা সেটাপ দিলেন। কারখানায় উৎপাদন হয়। আপনি বিভিন্ন জায়গায় অর্ডার সরবারহ করেন। আপনি চাইছেন আপনার ব্যবসার আরেকটা সেলস উইন্ডো ওপেন হোক। আরো কিছু কাস্টোমার আপনার পণ্য ঘরে বসেই কিনতে পারুক। অথবা অন্য একজন উৎপাদনকারীর পণ্য নিয়ে আপনি একটি টার্গেট গ্রুপের কাছে সেলস করতে চাইছেন। তো, আপনি কি করবেন - একটি স্টোর খুললেন। সেখানে পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসলেন। অনলাইনে পেমেন্টের ব্যবস্থা রাখলেন। ক্রেতা পণ্যের অর্ডার করলে হোম ডেলিভারী দেয়ার ব্যবস্থা রাখলেন।


এখানে দেখুন - আপনার ব্যবসা কি ? মানিব্যাগ তৈরী বা মানিব্যাগ সেলস। অনলাইন স্টোরটা কি করছে, বা এর কাজ কি ? নির্দিষ্ট কাস্টোমারের জন্যে প্রোডাক্ট শোকেসিং করছে এবং বিক্রি বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। কাস্টোমার কেন কিনছে ? একটি কোয়ালিটিফুল প্রোডাক্ট তারা বাড়িতে বসেই পেয়ে যাচ্ছে। কাস্টোমারের সময় বেঁচে যাচ্ছে।

এই যে কাস্টোমারের ওয়েব সাইটে গিয়ে পণ্য দেখা, পণ্যের অর্ডার করা, পেমেন্ট করা, উৎপাদনকারী বা সরবারহকারী হিসেবে আপনি সেই পন্য আবার লজিষ্টিক সার্ভিস প্রোভাইডারের কাছে দিচ্ছেন সে আবার ক্রেতার ঠিকানায় পণ্য পৌছে দিচ্ছে। এই অর্ডার, পেমেন্ট কালেকশন, পণ্য ডেলিভারী নিশ্চিত করার পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হচ্ছে ডিজিটালি অর্থাৎ ইলেক্টনিক্স টেকনোলজির মাধ্যমে বানিজ্য বা লেনদেনটি সম্পন্ন হয়েছে বলেই এটিকে ই-কমার্স বলা হচ্ছে।

নতুন উদ্যোক্তারা এখন কোন ব্যবসা শুরু করার আগে সেই ব্যবসার মডেলটি ডেভলপ করে নিবেন এবং ই-কমার্স টুলসের মাধ্যমে সেলস করতে চাইলে - টার্গেট কাস্টোমার, মার্কেট সাইজ, মার্কটে সেগমেন্টেশন, প্রোডাক্ট ভ্যালু প্রপোজিশন, ইউনিক সেলস পয়েন্ট, মার্কেট একসেসিং প্ল্যান, মার্কেটিং এন্ড সেলস প্ল্যান, ব্র্যান্ডিং প্ল্যান, কাস্টোমার সার্ভিস প্ল্যান, কম্পিটিটর এনালাইসিস, সোয়াট এনালাইসিস, পিইএসটি এনলাইসিস ইত্যাদি সম্পর্কে আইডিয়া নিয়ে তারপরে ব্যবসায় নামবেন।


ই-কমার্সের জন্যে আরো যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে - আপনি কোন টাইপের ই-কমার্স ফলো করে ব্যবসা করবেন ? বিটুবি ? বিটুসি ? বিটুবিটুসি ? ইত্যাদি।
এছাড়াও আপনি যখন কাজে নামবেন তখন আপনাকে কয়েকটি ডিপার্টমেন্ট সামাল দিতে হবে যেমন - টেকনিক্যাল ডেভলপমেন্ট, প্রোডাক্ট ডেভলপমেন্ট, প্রোডাক্ট শোকেসিং, সেলস এন্ড মার্কেটিং, কাস্টোমার সার্ভিস, লজিষ্টিক ডিপার্টমেন্ট, পেমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এবং সব কিছু মিলিয়ে অপারেশন ম্যানেজমেন্ট।

আশা করব আমার এই লেখাটি নতুন উদ্যোক্তাদের কাজে লাগবে। ভেবে চিন্তে ব্যবসায় নামতে সহায়তা করবে। ব্যবসা বানিজ্য আমি খুব ভাল বুঝি না। অভিজ্ঞতা থেকে নিজে যা বুঝেছি তাই শেয়ার করলাম। এক্সপার্টগন কোন বিষয়ে ভুলত্রুটি পেলে জানাবেন। ডক আপডেট করে নেব এবং নিজেও শিখে নেব। সবাইকে ধন্যবাদ।

বিঃ দ্রঃ এডমিনগনের অনুমতি ব্যতীত এই ডকটি এডিট করা যাবে না।



বাংলাদেশের ইকমারস এর অবস্থা - সমস্যা
বাংলাদেশের ইকমারস এর অবস্থা - সমস্যা



বাংলাদেশে ই-কমারস অনেক বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে কিছু কারনে। কিন্তু সব ভালোর ই কিছু খারাপ দিক থাকে। মাঝে মাঝ খারাপ দিক গুলা বেশি পরিমানে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

বাংলাদেশ একটা হুজুগ এর দেশ। যখন কয়েকজন মানুষ একটা ব্যবসা তে লাভবান হয় তখন অন্য সবাই সেটা বুঝুক আর না বুঝুক ঝাপায় পড়ে। উদাহরন স্বরূপ শেয়ার বাজার, এম এল এম ব্যবসা, ফ্রিল্যান্সিং আউটসোরসিং আর এখন এটার সাথে যুক্ত হয়েছে ইকমারস। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই জাতি এক কথায় যুদ্ধে নেমে পড়েছিলো সেটা অবশ্যি ভালো ছিলো। কিন্তু এখনো সেটা কন্টিনিউ আছে তাও খারাপের ক্ষেত্রে, এক ধরনের ঝাপিইয়ে পড়ার মতই।


বেশির ভাগ ইকমারস মালিকদের মধ্যেই যথেষ্ট জ্ঞান এর অভাব আছে। এর মধ্যে কিছু কারন বের করা গেছেঃ


. আচার-ব্যবহার এর সমস্যা,

২. যোগাযোগে সমস্যা,

৩. ইগো সমস্যা,

৪. প্রেস্টিজ সমস্যা,

৫. কোয়ালিটি ভেন্ডর বাছাই করনের সমস্যা,

৬. ডেলিভারী সমস্যা

৭. সঠিক সময়ে ডেলিভারী না যাওয়ার সমস্যা


আরো আছে অনেক এই মুহূর্তে মনে পড়তেসে না। আর এগুলা ছিলো শুধুমাত্র মালিক পক্ষের দিক থেকে সমস্যা গুলা। কিন্তু কাস্টমার বা ক্লায়েন্ট এন্ড এর সমস্যা আরো ভয়াবহ। যেমন নিম্নরূপঃ

১. টাকা নেই,

২. দুদিন পরে নিবো

৩. আমি ঢাকা এর বাইরে

৪. সে দেশ নাই

৫. পণ্য পছন্দ হয় নি

৬. মান ভালো নাহ

৭. ডেলিভারী চার্জ এতো বেশি কেনো?

৮. এতোদিন লাগে কেনো ডেলিভারী দিতে?

৯. পছন্দ হচ্ছে না

১০. আমি এখন নিতে পারবো না

১১. ছবির সাথে মিল নাই।


আরো আছে অনেক এই মুহূর্তে মনে পড়তেসে না। আর এগুলা ছিলো শুধুমাত্র কাস্টমার বা ক্লায়েন্ট দের দিক থেকে দিক থেকে সমস্যা গুলা। কিন্তু কাস্টমার বা ক্লায়েন্ট দের এই সমস্যা গুলো আপনি নিজে বিবেচনা করে দেখেন নিজেকে শুধু কাস্টমার বা ক্লায়েন্ট ভেবে দেখেন একবার, এগুলা আমাদের ও সমস্যা।

গাট বাধা সবাইকে কোয়ালিটি না জেনেই অতি লাভের আশায় কিছু বড়-ছোটো আর নতুন ইকমারস সাইট গুলো ব্যবসা করছে। কাস্টমার বা ক্লায়েন্ট এর কথা ভাবছে নাহ।

এর চেয়ে বাজে হচ্ছে কাস্টমার সার্ভিস।

উদাহরন-১ = কিছু দিন আগে একটা ইকমারস সাইট এর নামে কমপ্লেইন পেলাম তারা নাকি এক ক্লায়েন্ট কে একটা কথা বলেছে, ক্লায়েন্ট অর্ডার দেয়ার পর তার পারিবারিক সমস্যা এর কারনে দেশের বাড়ি গিয়েছে, ওখানে থাক্তে ফোন দিয়েছে। তো সে বলেছে “আপু আমি ঢাকা তে এসে আপনাকে ফোন দিচ্ছি আমি ওটা নিবো।” রিপ্লাই এ তাকে বলা হলো, “দেখেন ভাইয়া আমাদের তো আসলে অনেক কাজ আছে আপনার একটা অর্ডার নিয়ে বসে থাকলে তো আর আমাদের হবে নাহ তাই না?” এটা কেমন কথা? আমাকে বুঝান এখানে ব্যবসা করতে আসছেন ফাইজলামি নাকি? নিজের দিক দেখলেই হবে? ক্লায়েন্ট মানে কি জানেন?


উদাহরন-২ = এক লোক টিশার্ট এর ব্যবসা করবে, ব্র্যান্ড এর নাম ও সিলেক্ট হয়ে গেছে। কিন্তু সে আসলেই জানে না সে কি করবে? ক্লাসিফাইড সাইট বানাবে বলে এখন টিশার্ট এর ব্রান্ড নিয়ে কাজ করতেসে। আসলে তার ব্যবসা টা কি?

উদাহরন-৩ = আরেকজন টিশার্ট এর ব্যবসা করবে, আমি বললাম কিভাবে শুরু করতে চান। নানা কথা বলার পর বলল, “ভাই অনলাইন এ কি সেল হয়?” আমি বললাম “ভালো জিনিস আনেন হবে নাহ মানে?” সে বলে “আমার পারটনার তো ভয় পায় বিনিয়োগ করতে”। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কতো বিনিয়োগ করবে সে?” বলে “৭০০০ টাকা” আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, “মোটমাট কত টাকা?” বলল, “ভাই ১০০ টিশার্ট নিয়ে নামবো, বাজেট ১০,০০০ টাকা ঊর্ধ্বে গেলে ১২০০০ টাকা!” আমি, “মানে কি? বঙ্গ থেকে টিশার্ট কিনবেন নাকি?” সে বলে, “এখন এভাবেই করি, পরে ব্যবসা ভালো হলে বিনিয়োগ বাড়াবো” অবস্থা দেখেন ব্যবসা করবে ডিজিটাল অথচ চিন্তা ধারা এনালগ। ব”ঙ্গ থেকে কেনো টিশার্ট কিনবেন? আমার মাথায় তো ঢুকে নাহ ব্যাপার টা! স্টক এর টিশার্ট হলে আলাদা কথা, কিন্তু শুরুতেই গেলে আপনাকে তো তারা রিজেক্টেড টিশার্ট ধরায় দিবে? তার মানে মার্কেট নষ্ট করতে আস্তেসেন?”

এই হলো অবস্থা। ভাই ও বোনেরা সবসময় এই ব্যবসা এর ক্ষেত্রে নিজের কথা চিন্তা করবেন। আপনি একজন কাস্টমার হিসেবে সেই পণ্যের কি কি গুনাগুন চান, কেমন সার্ভিস চান, কি থাকা চাই, কি দরকার নাই। কেউ এটা ভাবলে খারাপ মানের পণ্য বাজারে দিতে পারবে নাহ বলে আশা করি।



আর ইকমারস উদ্যোক্তাদের এই ছোট্ট মানুষ্টার একটা আবেদন, গাট-বাধা প্রফিট এর আশায় সবাইকে না নিয়ে কোয়ালিটি টিম টাকে স্ট্রং করুন। যেটা বেশি বিক্রি হইসে সেটা বিক্রি করতে থাকা কে হয়তো ব্যবসা বলা যেতে পারে কিন্তু কোয়ালিটি না জেনে সেটা বিক্রি করাটাকে ভালো সার্ভিস বলে না বলে লোক ঠোকানো। আগে নিজেরা ঠিক হই পরে কাস্টোমার রা ও ঠিক হবে।



কাউকে টারগেট করে কিছু লিখা হয় নি। সম্পূর্ণই নিজস্ব মতামত। ভালো না লাগ্লে দুঃখিত। আমার উদ্দেশ্য কাউকে খাটো করা নয়। ইকমারস আর এফকমারস এর ব্যাপারে আমার আরো প্যানপ্যানানী শুনতে চলে আস্তে পারেন একদিন






ইকমার্স বিজনেস মডেল

ই-কমার্স বিজনেসের মূল মূল মডেল গুলোর বিশ্লেষণ


ই-কমার্স বিজনেসের মূলত চারটি মডেল আছে। যদিও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এখনও সব গুলো মডেল মার্কেটে নামেনি। সংক্ষিপ্তাকে মডেল গুলো নিয়ে আলোচনা করছিঃ
১. B2B (Business to Business): এই ধরণের বিজনেস মডেলে মূলত বিজনেস গুলোর মধ্যে যোগসূত্র হয়, যাতে একটা বড় কঞ্জিউমার মার্কেটে কানেক্ট হওয়া যায়। যদিও এখন বিজনেস গুলোর মধ্যে প্রোডাক্ট ক্রয় বিক্রয়ও বিটুবির অন্তর্ভুক্ত। যেমন স্যামসাং নিজেরা উৎপাদনকারী, তাদের প্রোডাক্ট "গ্যাজেট এন্ড গিয়ার" কিনে নিয়ে সেল করে। এদের মধ্যে সম্পর্কটাই বিজনেস টু বিজনেস।উদাহরণ স্বরূপ www.alibaba.com
. বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোন আলোচিত বিটুবি ই-কমার্স নেই।


২. B2C (Business to Consumer): এই ধরণের বিজনেস মডেলে মূলত মূল ব্যবসায়িক প্রতিষ্টান থেকে প্রোডাক্ট সরাসরি কঞ্জিউমারের হাতে আসে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্টানে প্রোডাক্ট নিজস্ব উৎপাদনও হতে পারে অথবা মার্চেন্ট থেকেও বিটুবি হিসেবে নিতে পারে। যেমনঃAkhoni.com, eBiponon.com এরা মার্চেন্ট প্রোডাক্ট সেল করে। যদিও বিস্তারিততে গেলে এটাকে B2B2C বলতে হবে, তবে B2C বলা যায়। মূলত এরকম বিজনেস মডেলে বাংলাদেশে খুব তারাতারি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এগুলো নিজেদের প্রোডাক্ট সেল করে। তাই এইটা সরাসরি B2C মডেল। এই মডেলটা খুব বেশি জরুরি এদেশের প্রেক্ষাপটে।


৩. C2C (Consumer to Consumer): এই ধরণের বিজনেস মডেলে মূলত একটা ইন্টার্মিডিয়ারি থাকে, এবং পুরো প্রোডাক্ট পার্চেসিং সম্পন্ন হয় কঞ্জিউমার থেকে কঞ্জিউমারের মধ্যে। এক্ষেত্রে ইন্টার্মিডিয়ারি পোর্টাল পেমেন্ট প্রসেসের সুযোগ দিয়েও পারে অথবা নাও দিতে পারে। এই ধরণের বিজনেস মডেলে ইন্টার্মিডিয়ারি ই-কমার্স পোর্টালের আয় হতে পারে পেইড সার্ভিস প্রোভাইডের মাধ্যমে। অর্থাৎ তার প্রথম পক্ষের প্রোডাক্ট ফিচার করার জন্য নির্দিষ্ট ফী নিয়ে।যেমনঃ CellBazar.com,Bikroy.com. এরা মূলত পেমেন্ট প্রসেসিং সেবা দেয় না। শুধু প্রোডাক্ট ফিচার করবে এবং বাকি পার্চেসিং প্রসেস হবে পোর্টালের বাইরে। Ebay.com এরা সরাসরি প্রোডাক্ট পার্চেসিং সেবা দেয়, শুধুমাত্র ডেলিভারি টাস্ক পোর্টালের বাইরে হয়। এরকম সার্ভিস শুধু মাত্র ClickBD দিচ্ছে বাংলাদেশে, যদিও খুব অল্প পরিসরে।



৪. C2B (Consumer to Business): বাংলাদেশে যদিও ই-কমার্স বলতে শুধুই প্রোডাক্ট কেনা বেচাকে বোঝে সবাই, সার্ভিস কেনা বেচাও ই-কমার্সের একটা পার্ট। আর বাংলাদেশে ই-কমার্সের উত্থান হয় সার্ভিস বেচাকেনা দিয়েই। ডোমেইন হোস্টিং অনলাইনে বেচাকেনা হয়ে আসছে বছর চারেক ধরে, এটাও ই-কমার্স। যদিও বাংলাদেশে C2B দেখা যায়না।C2B বিজনেস মডেলে কঞ্জিউমার তার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস অনলাইনের মাধ্যমে কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রয় করে। যেমনঃFiverr.com ,Elance.com,PeoplePerHour.com. এসব প্লাটফর্মে যে কেউ তার সার্ভিস ফিচার করতে পারে, আর কোন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হলেই সেই সার্ভিস গ্রহণ করতে পারে। যেমন, একজন ভাল গ্রাফিক ডিজাইন করে, সে তার সার্ভিস সেল করতে চায়। সে ফাইভারে তার সার্ভিস ফিচার করতে পারে "I'll make a Logo for your Business". কোন বিজনেস এর মালিক চাইলেই এই সার্ভিস কিনে নিতে পারে।



বাংলাদেশে B2B2C (ex: Akhoni.com) প্রচুর হচ্ছে। এই বিজনেস মডেলে যদিও প্রচুর প্ল্যানিং, ফান্ডিং দরকার হয়, তারপরও যে যতদূর পারছে যথাসাধ্য করছে নিজ নিজটার জন্য।এখন দরকার B2C (ex:bogurardoi.com) কে প্রাধান্য দেয়া। কারও যদি নিজের প্রোডাক্ট থাকে তাহলে সে কিছুটা স্টাডি করলে, অল্প এফোর্ট দিলে, অল্প ফান্ডিং দিয়েই তার বিজনেস অটোমেট করে অনলাইন সেল শুরু করতে পারে। হেল্প করার জন্য এই গ্রুপ তো আছেই।



যদিও B2B ই-কমার্সের এর জন্য বাংলাদেশের ই-কমার্স প্লাটফর্ম ইনফ্রাস্ট্রাকচার পুরোপুরি প্রস্তুত না, তারপরও এটাও ভেবে দেখা দরকার।
এই দেশে ই-কমার্স ঘরে ঘরে পৌছে গিয়েছে C2C এর কারণে। যে যে ফেসবুক বুঝে অল্প বিস্তর, সে ও দেখা যায় বিক্রয়.কম এ তার নোকিয়া ফোন বিক্রয়ের জন্য এড দেয়। কিন্তু পোর্টাল গুলোর মান ধরে রাখা হচ্ছে না বলে, পর্যাপ্ত ব্র্যান্ডিং হচ্ছেনা ই-কমার্স বিজনেসের আদলে, তাই বিক্রয় চিনলেও এটা যে ই-কমার্স বিজনেস সেটা কেউ বুঝতে পারছে না। এক্ষেত্রে ব্র্যান্ডিং এর ক্ষেত্রে প্লাটফর্ম ব্র্যান্ডিং এর দিকটাও খেয়াল রাখা জরুরি।

বাংলাদেশে C2B এর ক্ষাত এখনও পুরাই খালি। এসে পরেন কেউ, খালি মাঠে গোল দিতে না পারলেও একটা মাঠ তৈরি করতে পারবেন। যেটা সময় মত খেলার সাথে সাথে ধান চাষেও ব্যবহার করতে পারবেন 😉

আর যারা ই-কমার্স করছেন, করবেন সবার কাছে একটা অনুরোধ, যে বিষয়, যে প্রোডাক্ট নিয়ে নামবেন, তা কিভাবে মার্কেটে নামালে স্ট্যান্ডার্ড বজায় থাকবে সেটা স্টাডি করবেন প্রচুর। কারণ আপনি যখন ই-কমার্সে ঢুকবেন, "ই-কমার্স" বিষয়টার একজন রিপ্রেজেন্টার আপনি। তাই আপনার বিজনেসের কোয়ালিটি ভাল না হলে পুরো প্লাটফর্মের বদনাম হবে (নিজের অভিজ্ঞতা) কারণ এটা এখনও ইমারজিং সেক্টর।


1. B2B (Business to Business): ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে ইকমার্সে যে ট্রান্সেকশন। যেমন www.alibaba.com এখানে মুলত পন্য সার্ভিস কেনা বেচা হয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে।এখানে কোন কঞ্জিউমারের সাথে ট্রান্সেজশন হয়না।




2.B2C (Business to Consumer): সরাসরি কঞ্জিউমারের কাছে পন্য বা সার্ভিস বিক্রি করা হয়।যেমন যেমনঃ Ajkerdeal.com, Akhoni.com,Rokomari.com, AmarGadget.com যদিও এটাকে B2B2C বলা যায় কারন এই সাইট গুলো মার্চেন্ট বা ভেন্ডর থেকে কালেক্ট করে কঞ্জিউমার কে সরবরাহ করেন, তবে B2C বলা যায়। নিজেরদের উতপাদিত পন্য কঞ্জিউমারের কাছে সরাসরি পৌঁছে দিলে সেটা B2C।





3. C2C (Consumer to Consumer): মার্কেটপ্লেস যারা শুধু ট্রাফিক বা ভিসিটর এনে দেন।ভিসিটররাই পন্য ক্রয় বিক্রয় করেন। এই ধরণের বিজনেস মডেলে একটা সাইট যা মার্কেটপ্লেস হিসেবে থাকেন, কসজিউমাররাই ক্রয় বিক্রয় করে। কঞ্জিউমার থেকে কঞ্জিউমারদের মধ্যে। যেমন Ebay.com , kaymu.com.bd
4.C2B (Consumer to Business): কঞ্জিউমার যখন কোন মার্কেটপ্লেসে তার সার্ভিস সেল করেন। যেমন

ইতিহাসঃ

১৯৭১ মতান্তরে ১৯৭২ সালে ARPANET ব্যবহার করে মারিজুয়ানা বিক্রি হয় স্ট্যানফোর্ড আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট ল্যাব এর স্টুডেন্টদের সাথে ম্যাসাচুসেট ইন্সটিটিউট অফ টেকনলজির স্টুডেন্টদের মধ্যে।

১৯৭৯ সালে মাইকেল অলড্রিচ প্রথম অনলাইন শপিং এর ডেমো দেখান।

১৯৮১ সালে থমসন হলিডে ইউকে ইনস্টল করে প্রথম বিজনেস টু বিজনেস অনলাইন শপ...

১৯৮২ সালে ফ্রেঞ্চ টেলিকম কোম্পানী মিনিটেল তাদের অনলাইন অর্ডার নেয়া শুরু করে।

১৯৯০ সালে WWW এর জনক টিম বার্নারস লি প্রথম ওয়েব ব্রাউজার শুরু করে যা ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব নামে পরিচত।এর ফলে ইন্টারনেট জগতে বিল্পব সুচনা হয়,অনলাইন শপিং বা ইকমার্স যাত্রা শুরু করে।

১৯৯২ সালে বুক স্ট্যাকস আনলিমিটেড বুকস ডট কম নামে প্রথম ইকমার্স শুরু করে অনলাইন পেমেন্ট প্রসেসিং ব্যবহার করে।

১৯৯৫ সালে জেফ বেজস শুরু করেন ইকমার্স জায়ান্ট আমাজন ডট কম। ডেল এবং সিসকো ও তাদের অনলাইন ট্রাঞ্জেকশন শুরু করেন।সাথে সাথেই শুর কয় নিলাম বা অকশন জায়ান্ট ইবের যাত্রা কম্পিউটার প্রোগ্রামার পিয়েরে অমিতদারের হাত ধরে,যা আগে অকশন ওয়েব নামে পরিচিত ছিল।

১৯৯৬ সালে আমাদের পাশের দেশ ইন্ডিয়াতে শুর হয় প্রথম ইন্ডিয়ান ইকমার্স সাইট ইন্ডিয়ামার্ট যা ছিল একটি বি টু বি ইকমার্স সাইট।
১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু করে চায়নার ইকমার্স জায়ান্ট আলিবাবা গ্রুপ

২০০০ সাল মতান্তরে ১৯৯৮ বা ১৯৯৯ সালে আমাদের দেশ বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে ইকমার্স সাইট,নাম মুন্সিজি ডট কম।

২০০১ সাল।আলিবাবা ডট কম লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়।

২০০৩ সালে আমাজন প্রথম লাভের মুখ দেখে এবং তারা প্রথম বাৎসরিক প্রফিট ঘোষনা করে।

২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইকমার্স সাইট এখনি ডট কম এবং আজকের ডিল ডট কম।

২০১২ সালে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ইকমার্স সাইট রকমারি ডট কম।ফেসবুক থেকেও শুরু হয় ইকমার্সের মত করে অনলাইন শপিং।ছোট ছোট উদ্যক্তারা ফেসবুক কমার্স থেকে ইকমার্সে ধাবিত হন।যাত্রা শুরু করে টিশার্ট নিয়ে টিজোনবিডি,রুপকথাজামদানি,আমারগ্যাজেট,সিভি স্ট্রিট সহ অনেক সাইট।এসময় ফেসবুক কেন্দ্রিক উদ্যক্তারাই ইকমার্স কে পন্য বা সার্ভিস সাপ্লাই করে ইকমার্স কে এগিয়ে নিয়ে যান।

২০১৩ সালে বাংলাদেশে ইকমার্স জগতে তৈরী হয় নতুন দিগন্ত।বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক,ব্যাসিস ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ইকমার্স কে জনপ্রিয় করতে শুরু করে নানান কর্মসুচি,মেলা সেমিনার ইত্যাদি।কম্পিউটার জগত নামে ম্যাগাজিন ইকমার্স মেলা করে ঢাকা সহ বাংলাদেশের অনেক অংশে।যাত্রা শুরু করে আরেকটি জনপ্রিয় ইকমার্স সাইট প্রিয়শপ ডট কম। বিদেশী মাল্টি মিলিয়ন ডলার কোম্পানী গুলো আসতে শুরু করে আমাদের দেশে।

২০১৪ তে ইকমার্স বেশ জনপ্রিয়,কুরিয়ার সার্ভিস,পেমেন্ট গেটওয়ে সহ ইকমার্সের জন্য দরকারী অনেক ইনফ্রাস্টাকচার ছাড়াই ইকমার্স এগিয়ে যেতে থাকে।বাইরের কোম্পানী গুলো বাংলাদেশে মিলিয়ন ডলার ইনভেস্টের প্রতিযোগিতায় নেমে পরে।




ই-ব্যবসা শুরুর আগে যা জানতে হবে

....ই-কমার্স সাইট আর সাধারণ ওয়েব সাইটের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। ই-কমার্স হলো অনেকটা ভার্চুয়াল স্টোর। অতএব এটা ম্যানেজ করা জন্যে একটু ভিন্নতর কিছু বিষয়তো থাকেই। ই-কমার্সে পণ্য কেনার বিষয় থাকে, পেমেন্ট দেয়ার বিষয় থাকে সো, সিকিউরিটি অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর।---------------------- যেমন টাঙ্গাইলে শাড়ি নিয়ে ই-কমার্স ব্যবসা একটি ভালো আইডিয়া হতে পারে। তবে জনসচেতনা বৃদ্ধির জন্যে প্রচার প্রচারণার জন্যে বেশ ভালো খরচ করতে হবে। বিজনেসের লিগ্যাল ডকুমন্টেশনে ২০ হাজারের মত খরচ হতে পারে। সাইট ডেভলপমেন্টের জন্যে ৩০-৫০ হাজারের মত লাগতে পারে। পেমেন্ট মেথড ইন্টিগ্রেশন কারে কারো টা ফ্রি আবার কারো ক্ষেত্রে চার্য আছে। প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফির জন্যে একটা বাজেট রাখতে হবে। ভেনন্ড একুইজিশনে কিছু সিম্পল খরচ আছে। লজিস্টিক ম্যানেজমেন্টের জন্যে প্যাকিং ডেলিভারী বাবদ কিছু খরচ আছে।-----------------------খেয়াল করুন আরও -----সবতো করলেন, এবার মার্কেটিং করতে হবে। লোকজনকে জানাতে হবে যে আপনি একটা ব্যবসা শুরু করেছেন। সো, টার্গেট ক্লায়েন্ট অনুযায়ী মার্কেটিং প্ল্যান করতে হবে। আমি বলব মার্কেটিং এর আগের কাজগুলোর জন্যে আপনি মোট যত টাকা খরচ করেছেন মার্কেটিং এর জন্যে এর তিনগুন বেশি বাজেট রাথেন।--------------------------------কিছু প্রশ্ন and ans ঃঃ



* "লিগ্যাল ডকুমন্টেশনে ২০ হাজারের মত খরচ হতে পারে" - এটা ঠিক বুজলাম না। কি টাইপ লিগাল ডকুমন্টেশ লাগতে পারে, একটু বলবেন প্লিজ......... উত্তর --ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন, ভ্যাট সনদ, ব্যাংক একাউন্ট, বেসিস এর মেম্বারশীপ ইত্যাদি। মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজারের মত লাগতে পারে।
* ই-কমার্স সাইট বানাতে এতোসব ঝামেলা করতে হয় কি ?? উত্তর--ই-কমার্স সাইট বলে নয়। যে কোন আইটি ব্যবসার জন্যেই এগুলো বেসিক লিগ্যাল ডকুমন্টেস। এর মধ্যে বেসিস এর সদস্যপদটা পরে নিলেও চলবে। তবে আমি সাধারণত সাজেষ্ট করি শুরুতেই নিয়ে রাখা ভালো। এই ১৫-২০ হাজার টাকার প্রাথমিক বিনয়োগ একসময় কোটি টাকার সুযোগ ও ভ্যালু তৈরী করে দিতে পারে।



***শুরুতেই বেসিস এর মেম্বারশীপটা কি জরুরী ??? উত্তর--আমি মনে করি জরুরী। বাকিটা আপনার ব্যক্তিগত অভিরুচী।



***সব ওয়েবসাইটের (ব্লগ, ইনফো পোর্টাল ইত্যাদি) জন্যই কি লিগ্যাল ডকুমন্টেশন জরুরী?? উত্তর--না। শুধু মাত্র ব্যবসা উদ্যোগের জন্যেই এইসব ডকুমেন্টস জরুরী।



* i wanna skills much you sure that people must need tread license,


 TIN and bla bla 
bla..... to start out a e-commerce site ??? উত্তর--ই-কমার্স সাইট শুরু করতে কিছু 

দরকার নেই। সাইট শুরু করা আর ব্যবসা করার মধ্যে পার্থক্য আছে। আপনি যদি ব্যবসা 

করতে চান এবং মার্কেটে আপনার একসেস শুরু করতে চান তাহলেতো 

ডকুমেন্টসগুলো আবশ্যক তাই না ? অনেকেই আছেন ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা 
করেন। বাংলাদেশী আইনে এটা অবৈধ। একজন সুনাগরিকের কাছে নিশ্চয় এমন 

ছোটখাট অবৈধ কাজ আশা করা যায় না। কোম্পানির নামে ব্যাংক একাউন্ট করতে গেলে

 টিআইএন সনদ লাগবেই। আপনার ব্যবসা সেক্টর ট্যাক্স ফ্রি এর আওতায় হলেও লাগবে। 

টিআইএন থাকা আর ট্যাক্স দেয়া কিন্তু এক

 কথা নয়। আর ভ্যাট ! বর্তমান বাজেটটিতেই

 দেখুন, ই-কমার্স কে কি ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে ? যদি না হয় তাহলে ভ্যাট 

রেজিঃ ছাড়া আপনি ভ্যাটটি সরকারি কোষাগারে জমা দিবেন কিভাবে ?বেসিসের 

সদস্যপদের বিষয়ে বলব, যেহেতু তারা বাংলাদেশের আইটি ইন্ডাষ্ট্রির ট্রেডবডি এবং 


বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে তাদের সহায়তা আমাদের লাগতেই পারে সো অল্প কিছু টাকা খরচ 


করে তাদের সদস্যপদ নিয়ে রাখাই উত্তম।



Off Topic


Nogud, Location, Biman, dearEkadashi Chart, Today date, Biman Bangladesh, Hanif Paribahan, Jomir noksha, kotian, Barir Design, Happy birthday, janajar Namaj, full Kobita, create Blog, robindonat tagore, motivation bangla, cyber surety, Inspiring thoughts, Today lottery, earn Money, Free Fire, 


fb fage, humaon Quatius, Video Downloader, smartCreate Website, Free Fire Owner, Free Money, money, Number Chick, Create song, Car game, Fe Amanilla, Good Morning, 


Facebook Caption, photo Edit, SoftwaresisterATM, Premer Sondo, Weight loss, cement, increase Brain, Google drive, Friend Status, Big Brother, hat kata Pic, Happy birthday, Marriage day, Good Night, Play store, mea potano, facebook status, bandobe sms, Gain Book, English, Upay, Teletalk, Teletalk, Teletalk, Teletalk, Teletalk, Teletalk, TeleDeartalk, Teletalk, Dear, Dear, Dear, Dear, Dear, love, love, love, love, love, love


Krishnokoli, weather, nextday weather, weather7, mithai, weather10, weather5, nogod, nextw, weather, methai, methai1, methai2, coinbase, rashifal, mid night, train, dollar, motu, robi, teletok


Backlink Anchor  


Ekadashi Chart, Today date, Biman Bangladesh, Hanif Paribahan, Jomir noksha, kotian, Barir Design, Happy birthday, janajar Namaj, full Kobita, create Blog, robindonat tagore, motivation bangla, cyber surety, Inspiring thoughts, Today lottery, earn Money, Free Fire, 


fb fage, humaon Quatius, Video Downloader, smartCreate Website, Free Fire Owner, Free Money, money, Number Chick, Create song, Car game, Fe Amanilla, Good Morning, Facebook Caption, photo Edit, SoftwaresisterATM, Premer Sondo, Weight loss, cement, increase Brain, Google drive, Friend Status, Big Brother, hat kata Pic, Happy birthday, Marriage day, Good Night, Play store, mea potano, facebook status, bandobe sms, Gain Book


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url